রাসেল মোল্লা, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আন্ধারমানিক নদীর ওপর নির্মিত শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুতে জন্ম থেকে আলোর ব্যবস্থা না থাকায় রাতের বেলায় দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকেরা। গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুতে দ্রুত সৌরবিদ্যুৎচালিত সড়কবাতি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রায় ৬৭৭ মিটার দীর্ঘ সেতুটি পায়রাবন্দর, বালিয়াতলী, দুলাস্বর ও টিয়াখালীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।প্রতিদিন সেতুটি দিয়ে পায়রা বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল আনার জন্য ট্রাক, ঢাকাগামী বাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় সেতুটি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল করলেও সন্ধ্যার পর পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় পুরো সেতুজুড়ে অন্ধকার নেমে আসে। বিশেষ করে রাতে দীর্ঘ সেতু পার হওয়ার সময় চালকদের অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কার পাশাপাশি যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। প্রায় ছোটখাটো ছিনতাই সহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দিনের আলোয় সেতুটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। তবে সেতুর ওপর পর্যাপ্ত আলোকব্যবস্থা না থাকায় রাতের বেলায় পরিস্থিতি ভিন্ন হয়ে পড়ে। সেতুর দুই পাশ ও সংযোগ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশেও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতুর ওপর সৌরবিদ্যুৎচালিত আধুনিক সড়কবাতি স্থাপন করা হলে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিয়মিত আলোর ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। এতে রাতে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল আরও নিরাপদ হবে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, “সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করা হবে, যাতে দ্রুত সেতুর ওপর আলোর ব্যবস্থা করা যায়।”
দ্রুত উদ্যোগ চান স্থানীয়রা,
স্থানীয়দের দাবি, জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুতে পর্যাপ্ত সৌরবাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেবে। একই সঙ্গে সেতুর দুই প্রান্ত ও সংযোগ সড়কের প্রয়োজনীয় স্থানগুলোতেও আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে—এমন প্রত্যাশা তাদের।
গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হলে রাতের যাতায়াত আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।




