প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রিয় ফল খেজুর। পবিত্র কোরআনে ২৬ বার খেজুরের উল্লেখ রয়েছে। সুরা আবাসার ২৭ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি জমিনে উৎপন্ন করেছি শস্য-আঙুর, শাক-সবজি, জয়তুন ও খেজুর বৃক্ষ।’ এমনকি বিজ্ঞান বলছে, শরীরের জন্য খেজুর উত্তম একটি ফল। শীতকালে এই ফল গ্রহণ করলে মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি।
শীতে সুস্থ থাকতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন। তার মধ্যে সব থেকে প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হল খেজুর। শীতে নিয়ম করে খেজুর খেলে মিলবে অসাধারণ উপকার।খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার যা হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। তাই শক্ত হাড় পেতে নিয়মিত খেজুর খেতে হবে। খেজুর খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃ্দ্ধি পায় এবং শরীর গরম থাকে। শীতে খেজুর খেলে ঠান্ডাও কম লাগে। তাই অবশ্যই শীতের ডায়েটে খেজুর রাখতে হবে। খেজুরে রয়েছে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ এবং কার্বস, যা এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে। ক্লান্তি কাটাতে এর কোনও তুলনা হয় না। তাই সকালের নাস্তায় অবশ্যই পাতে রাখুন খেজুর।খেজুরে প্রচুর পরিমানে আয়রন রয়েছে। তাই নিয়মিত খেজুর খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় থাকে। তাই রক্তস্বল্পতা থাকলে খেজুর খেতে পারেন।
হজমের সমস্যা দূর করতে অত্যন্ত সাহায্য করে খেজুর। খেজুরে থাকা উপাদান পেটের সমস্যা দূর করতেও অত্যন্ত সাহায্য করে।
মানুষ যুগ যুগ ধরে ধর্মীয়ভাবে উপবাস পালন করে।হিন্দু বা বৌদ্ধরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘উপবাস’।মুসলিমরা রমযানে না খেয়ে থাকাকে বলেন ‘সিয়াম’।খ্রিস্টানদের ভাষায় না খেয়ে থাকা হলো ‘ফাস্টিং’।বিপ্লবীরা দাবি আদায়ের জন্য না খেয়ে থাকেন, সেটি ‘অনশন’।কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় উপবাস করলে যেই প্রক্রিয়া শরীরে সক্রিয় হয়, তাকে বলা হয় ‘অটোফেজি’ (Autophagy)। ২০১৬ সালে নোবেল […]
রাসেল মোল্লাঃ কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙে রঙিন পটুয়াখালীর কলাপাড়া। প্রকৃতিতে ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা। আর তাতে আকৃষ্ট কুয়াকাটা আগত দেশি-বিদেশি পর্যটক সহ তরুণ তরুণীরা। তাই সেলফি তুলতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন নানা বয়সী মানুষ। প্রায় প্রত্যেকেই কৃষ্ণচূড়ার সাথে তোলা ছবি আপলোড করছেন সোসাল মিডিয়ায়। শুধু মাত্র সুন্দর মুহুর্তকে ধারন করে রাখতে কেউ কেউ দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন প্রিজনকে […]