রাসেল মোল্লা, কলাপাড়াঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নাশতা আনতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে লামিয়া (২৫) নামে এক ব্যক্তিগত সহকারীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে ম্যাক্স হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক গণমাধ্যমেকর্মী মহসিন পারভেজ এর দ্বিতীয় স্ত্রী ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হাসপাতালের ওই চিকিৎসকের চেম্বারের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত লামিয়াকে প্রথমে ম্যাক্স হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাঁকে তার স্বামী মোঃ আলাউদ্দিন কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নাশতা আনতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর ওপর ক্ষুব্ধ হন। একপর্যায়ে মোবাইল ফোন ও পেপারওয়েট ছুড়ে মারা এবং জুতা দিয়ে মারধরের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী লামিয়া বলেন, “নাশতা আনতে দেরি হওয়ায় আমাকে কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর আমার দিকে পেপারওয়েট ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারা হয়। পাশাপাশি জুতা দিয়েও মারধর করা হয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চিকিৎসক ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমা বলেন, “আমি তাকে মারিনি। সে আমার স্টাফ। রাগ করে তাকে রুম থেকে বের করে দিয়েছি। সে এখন নাটক শুরু করেছে। তার খিঁচুনির রোগ আছে।”এদিকে, ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে গেলে চিকিৎসকের বাবা র্যাবের ছবি দেখিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পর চিকিৎসক পুলিশের পাহারায় হাসপাতাল থেকে বের হয়ে অটোরিকশাযোগে স্থান ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।




