কলাপাড়ার চম্পাপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙন: পানিতে তলিয়ে নষ্ট হচ্ছে ফসল

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। করমজাতলা ও মাঝের হাওলা গ্রামে পানি ঢুকে ফসল বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়রা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মানের দাবি জানিয়েছেন। কলাপড়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এসব ভাঙ্গা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে প্রবেশ নষ্ট হচ্ছে ফসল ও ঘরবাড়ি। এ ছাড়া বাঁধের সাত কিলোমিটার জুড়ে ভাঙ্গনের ঝুঁকি থাকায় দুশ্চিন্তা ও উৎকন্ঠে রয়েছে সাত গ্রামের বাসিন্দারা। ক্ষতি এড়াতে টেকসই বাঁধ নির্মানের দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের করমজাতলা এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে তিন মাস আগে নিম্নচাপের প্রভাবে রাবনাবাদ নদীর পানির প্রবল চাপে ভেঙে যায় বাঁধের অন্তত ৪০০ ফুট অংশ। এতে প্রতিনিয়ত বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে করমজাতলার কৃষি জমিসহ ঘরবাড়ি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একই সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাশের মাঝের হাওলা গ্রামের বেড়িবাঁধের ২০০ ফুট অংশের দুই তৃতীয়াংশ। শুধু এই দুই স্থানই নয়, ৫৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধের সাত কিলোমিটার রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। যে কোনো মুহূর্তে বাঁধ ভাঙার শঙ্কায় দিন কাটছে স্থানীয়দের।

কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। দুই বছর আগে, এই বাঁধ রক্ষায় দুই দফায় এক কিলোমিটারের বেশি এলাকাজুড়ে কোটি টাকার জিও ব্যাগ ফেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বাঁধ রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *