কলাপাড়ায় কোডেক এর আয়োজনে মৎস্য উৎপাদন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সন্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান

রাসেল মোল্লা, কলাপাড়াঃ  পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়
কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক)-এর
আয়োজনে এবং পিকেএসএফ-এর আরএমটিপি (ফিস) প্রকল্পের অর্থায়নে নিরাপদ ও মানসম্মত মৎস্য উৎপাদনে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করতে কলাপাড়া উপজেলায় প্রশিক্ষণ ও সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়েছে।  (২৫ জুন বুধবার) বিকেল ৪ টার দিকে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন হল রুমে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে কোডেক-এর কলাপাড়া এলাকার এলাকা ব্যবস্থাপক মোঃ ইসমাইল শেখ এর সভাপতিত্বে প্রধাণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো: রবিউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা, কলাপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি হুমায়ূন কবীর।

অতিথিরা বক্তব্যে বলেন সঠিক পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদন করলে রপ্তানি করা অতি সহজ। তিনি আরও বলেন আজ যে ২৫ জন কে প্রশিক্ষণ ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিয়নের আরো অনেকে প্রশিক্ষণের আওতায় আসবে, এবং সফল উদ্যোক্তা হবে।  নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনের মাধ্যমে একটি অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব। আপনাদের সচেতনতা ও প্রচেষ্টাই নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, প্রযুক্তিনির্ভর চাষ পদ্ধতির প্রসার ঘটাবে এবং অন্যদের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠবে।কোডেক-এর এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার।” এবং কলাপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি হুমায়ুন কবীর কোডেক এর কার্যক্রম এর ভুয়সী প্রশংসা করেন এবং তার কোডেক সাথে থাকার গল্প স্মৃতি চারণ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের ভিসিএফ মোঃ কামরুজ্জামান, মনিটরিং কর্মকতা মো: শফিকুল ইসলাম এভিসিএফ মোঃ কিবরিয়া সম্রাট। ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন এর কুয়াকাটা প্রতিনিধি ফরিদউদ্দিন বিপু,কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেল মোল্লা, বাংলা টিভি’র কলাপাড়া প্রতিনিধি মো. মনির হাওলাদার, দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল’র কলাপাড়া প্রতিনিধি, ইমন আল আহসান।

পুরো অনুষ্ঠানটি দক্ষতার সঙ্গে সঞ্চালনা করেন কোডেক-এর শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ এনামুল হোসেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ২৫ জন মৎস্যচাষী ও সেবা প্রদানকারীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চাষীরা তাদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি ব্যক্ত করেন বলেন আমরা আগে শুধু প্রচলিত পদ্ধতিতে চাষ করতাম, ফলনও কম হতো। এখন জানতে পেরেছি কীভাবে নিরাপদ খাদ্য ব্যবহার করে মাছের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।এবং নারী উদ্যোক্তা বলেন“এই প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী হয়েছি। আমি নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় শুটকি উৎপদান করছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *