“১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান: কুয়াকাটায় প্রথম মুসলিম কবরস্থান নির্মাণে প্রশংসিত পৌর প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক”

রাসেল মোল্লা, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
২০১০ সালে সাগর কণ্যাখ্যাত কুয়াকাটা পৌরসভা প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এখানকার ছিন্নমূল, ভূমিহীন ও পরিচয়হীন মানুষের জন্য কোনো সরকারি কবরস্থান ছিল না কুয়াকাটা পৌর এলাকায় । মৃত্যুর পর দাফনের জায়গা না থাকায় বহু পরিবার ও পৌরবাসীকে চরম বিপাকে পড়তে হতো।অবশেষে সেই কষ্টের অবসান ঘটেছে।

কুয়াকাটা পৌরসভার বর্তমান পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক এর উদ্যোগে পৌর সভার ৪নং ওয়ার্ডের মেলাপাড়া এলাকায় সরকারি খাসজমি নির্ধারণ করে কুয়াকাটার প্রথম পৌর কবরস্থান নির্মাণ শুরু হয়েছেন।

নির্ধারিত স্থানে আগে অবৈধ করাতকল ও কিছু অবৈধ স্থাপনা ছিল যা উচ্ছেদ করে কবরস্থানের জন্য জমি প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন সেখানে চলছে বালুভরাট সোলিং রাস্তা নির্মাণ ও বাউন্ডারি করার কাজ। পাশাপাশি কবরস্থানে নিরাপত্তা ও আলোর জন্য দুটি সোলার লাইট স্থাপন করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে এখানে দুইজন মৃত্যু ব্যক্তিকে দাফন হয়েছে, যা কুয়াকাটা পৌরবাসীর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত ছিল। সূত্রে জানা যায়

টি.আর প্রকল্পের মাধ্যমে বাউন্ডারি ও অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজ সম্পূর্ণ করার প্রক্রিয়াও চলছে। আর এই কাজটি করে প্রশংসায় কুড়িয়েছেন কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসী সাদেক।

স্হানীয় বাসিন্দা জহির, আলাউদ্দিন, কাদের মিয়া ও কুদ্দুস সহ অনেক এলাকাবাসী বলেন দৃষ্টিনন্দিত কুয়াকাটা পৌরসভায় আমাদের কোন মুসলিম কবরস্থান ছিল না এই কবরস্থানটি ছিল আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি এই দাবিটি পূরণ করেছেন পৌর প্রশাসক মহোদয় তার প্রতি আমরা অনেক অনেক কৃতজ্ঞ ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না।

কথা হয় কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মতিউর রহমান এর সাথে তিনি বলেন কুয়াকাটা পৌর বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি মুসলিম গোরস্থানের। যে দাবিটি পূরণ করেছেন বর্তমান পৌর প্রশাসক ইয়াসীন সাদিক তাকে পৌরবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি একটি মহৎ কাজ করার জন্য।

সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে প্রথম পৌর কবরস্থানের ব্যবস্থা করে তিনি প্রকৃত অর্থেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি হলেন পৌর প্রশাসক।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *