রাসেল মোল্লা, কলাপাড়াঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরসভা নির্বাচন কবে হবে এ মুহুর্তে বলা মুসকিল। তবে এর মধ্যে কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ভিপি আলহাজ্ব এ্যাড. খন্দকার নাসির উদ্দিন কলাপাড়া পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করতে মাঠে হয়েছেন। তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে ইতিমধ্যে নিজেকে ‘ক্লিন ইমেজের ও গরীবের আইনজীবী হিসেবে সকলের কাছে পরিচিতি পেরেছেন।
এ ছাড়া গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও পৌর বাসীর মধ্যে বেশ গুঞ্জন উঠেছে খন্দকার নাসির উদ্দিনের নিয়ে তার সমর্থকেরা পৌরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর পোষ্টার দেখে শত শত শুভাকাংখীসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা লাইক-কমেন্টস করছেন।
মূলত গত ১৬ বছর ধরে এ্যাড.খন্দকার নাসির উদ্দিন কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পৌর শহরের নয়টি ওয়ার্ডে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তিকে সুদৃঢ় করতে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে । দলের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা নাম প্রকাশ না করে বলেন, নাসির খন্দকার আমাদের দক্ষিণ বাংলার কর্মী বান্ধব নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেন’র স্নেহ ভাজন দলকে সু-সংগঠিত করতে এ কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে নাসির এর বিকল্প নাই তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে স্থবির হয়ে পড়া নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত রেখেছেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, নাসির খন্দকার নেতৃত্বে কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি ও কলাপাড়া পৌর শহরে এখন একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তিতে পরিনত হয়েছে।
তিনি নিজেকে শুধু রাজনৈতিক কর্মকান্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখছেন না কলাপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে বিগত আওয়ামী লীগের আমলে দায়ের করা মিথ্যা মামলা বিনা খরচে আইনজীবী হিসেবে লড়েছে। নেতাকর্মী সহ সাধারণ জনতার নাগরিকদের নানামুখী সমস্যায় তিনি সবার আগে গিয়ে পাশে দাঁড়ান। পৌর শহরের কলেজ রোডের এলাকার বাসিন্দা ইয়াসিন, রুবেল, আরাফাত ও ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা প্রনাব বিশ্বাস, নুরুল আলম বলেন, কলাপাড়া বিএনপির দ্বিতীয় শাড়ির যে কয়জন নেতা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে পরিচ্ছন্ন ইমেজের মানুষ নাসির ভাই যাঁর কোনো বদনাম নেই। এ্যাড. খন্দকার নাসির উদ্দিন ১৯৮৮ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল এম,বি কলেজ শাখার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নিবার্চিত হন ১৯৯১ এমবি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি। ১৯৯২ সালে এম,বি কলেজের নির্বাচিত ভিপি হন। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ ছাত্রদল কলাপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি হয়ে ১৯৯৭ থেকে ২০০০সাল পর্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯সাল থেকে কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দায়িত্ব রয়েছেন। এছাড়া তিনি কলাপাড়া আইনজীবী কল্লান সমিতির সভাপতি ২০২২ সালে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পটুয়াখালী জেলা শাখার বর্তমান সহ সভাপতি তিনি। একটি ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারের সন্তান এ্যাড আলহাজ্ব খন্দকার নাসির উদ্দিন
তাঁর পিতার নাম মরহুম আজাহার আলী খন্দকার । তাঁর পিতা ছিলেন কলাপাড়ার একজন সুনামধন্য শিক্ষক।
খন্দকার নাসির রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সৎ ও ভদ্র মানুষ হিসেবে তিনি সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য।
এ্যাড আলহাজ্ব খন্দকার নাসির উদ্দিন কলাপাড়া পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করার ইচ্ছা ব্যক্ত করে বলেন, পটুয়াখালী ৪আসনে একমাত্র ধানের শীষের কান্ডারী কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক জননেতা আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন সমর্থন দিলে এবং দল মনোনয়ন দিলে আমি নিবার্চন করবে। এছাড়া সব সময় জনমানুষের বিপদে-আপদে পাশে রয়েছি। মানুষের জন্য যখন যেভাবে পেরেছি সহায়তা করেছি যা আপনারা অবগত আছেন করোনা কালীন সময় আমার সাধ্যমত দলীয় কর্মী পৌর বাসীর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আম জনতার জন্য কাজ করতে মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাই। এজন্য দলীয় নেতাকর্মী ও পৌরবাসী সহযোগিতা কামনা করছি।
উল্লেখ্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর নামে কলাপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল্লাহ রানা কর্তৃক মিথ্যা মামলা হয়। সেই মামলায় এ্যাড খন্দকার নাসির উদ্দিন তারেক রহমান’র আইনজীবী হিসেবে তার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন।