মির্জাগঞ্জে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আবুল বাশার গ্রেপ্তার

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে একটি ধর্ষণ মামলায় পাঁচ মাস পর প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার  ঢাকা উত্তরা দক্ষিণখান থানাধীন আইনুসবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোঃ আবুল বাশার (৩৫)।তিনি কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের বৈদ্যপাশা  গ্রামের বাসিন্দা।

গতকাল বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.শামীম আহমেদ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামি আবুল বাশার ও ভিকটিম জান্নাতুলের (১৪) বাড়ি  একই এলাকায়। গত ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ও ফুসলিয়ে জোরপূর্বক জান্নাতুলকে তার ভাইয়ের নির্জন ঘরে নিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করে আবুল বাশার । ধর্ষণের ফলে ভিকটিম গর্ভবতী হয়ে পরে। বিষয়টি ভিকটিম  তার ভাবি  সুমি আক্তারকে জানান।

পরে ভাবি সুমি আক্তার বাদী হয় মির্জাগঞ্জ থানায় গত ২১জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত ২০০৩) ৯(১)/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আবুল বাশারকে প্রধান ও সহযোগী হিসেবে বেল্লাল হোসেনকে (৩৮)  আসামি করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ এনামুল হক  জানান,মামলা চলমান অবস্থায় গত১৪  ডিসেম্বর জান্নাতুল  একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। প্রসবের পর নবজাতক শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া  শিশুটিকে মৃত্যু  ঘোষণা করেন। ভিকটিমের পক্ষ থেকে  এ ব্যাপারে ঢাকা শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ডায়েরি নং-১০৩৫।

তিনি আরো বলেন,শিশুটির সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্ত সহ ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুতের জন্য আলামত (স্যাম্পেল)সংগ্রহের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করা হয়ছে।

মামলার আসামি দুইজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শামীম আহমেদ বলেন,মঙ্গলবার ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আবুল বাশারকে র্যাব-১ এর সহযোগিতায় ঢাকা উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *